ব্যবসা-বাণিজ্যের

সোনার দামে বড় পতন: ইতিহাসের ৭টি দিন থেকে বিনিয়োগকারীদের শিক্ষা

সোনাকে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ইতিহাস বলছে, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সুদের হার বৃদ্ধি, ডলারের শক্তিশালী হওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক বিক্রির কারণে সোনার দামেও বড় পতন হতে পারে। ১৯৮০ সালের ঐতিহাসিক ধস থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির তীব্র পতন—সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বিনিয়োগকারীদের মনে করিয়ে দেয়, সোনায় বিনিয়োগেও ঝুঁকি রয়েছে। তাই শুধুমাত্র দাম বাড়ার আশায় বিনিয়োগ না করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য রাখা জরুরি।

Share
সোনার দামে বড় পতন: ইতিহাসের ৭টি দিন থেকে বিনিয়োগকারীদের শিক্ষা

সোনার দামে ইতিহাসের ৭টি বড় পতন: নিরাপদ বিনিয়োগেও কেন ঝুঁকি, কী শিখবেন বিনিয়োগকারীরা?

সোনাকে সাধারণত নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে মূল্যবৃদ্ধি, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, আর্থিক বাজারে অস্থিরতা কিংবা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় অনেক বিনিয়োগকারী সোনার দিকে ঝোঁকেন। তবে সোনার দাম সব সময় বাড়ে না। ইতিহাসে একাধিকবার এই মূল্যবান ধাতুর দামে এমন পতন দেখা গিয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের বড় ক্ষতির মুখে ফেলেছে।

১৯৮০ সালের জানুয়ারিতে সোনার দামে প্রায় ১৩ শতাংশের এক দিনের পতন থেকে শুরু করে ২০১৩ সালের ঐতিহাসিক বিক্রির চাপ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারির তীব্র দরপতন—বিভিন্ন সময়ের ঘটনাগুলি দেখায়, নিরাপদ সম্পদ হিসেবে পরিচিত হলেও সোনা বাজারের অস্থিরতা থেকে মুক্ত নয়। ঐতিহাসিক বাজারের তথ্য এবং বিশ্ব গোল্ড কাউন্সিলের বিশ্লেষণেও সোনার দামে বড় সংশোধনের একাধিক নজির পাওয়া যায়।

সোনার দামে বড় পতনের ৭টি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ

১. ২২ জানুয়ারি ১৯৮০: এক দিনেই প্রায় ১৩ শতাংশ পতন

সোনার বাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এক দিনের পতনগুলির একটি ঘটে ২২ জানুয়ারি ১৯৮০ সালে। এর আগের দিন, ২১ জানুয়ারি, লন্ডনের বাজারে সোনার দাম প্রতি ট্রয় আউন্সে ৮৫০ ডলারে পৌঁছেছিল। পরদিন দাম কমে প্রায় ৭৩৭.৫০ ডলারে নেমে আসে।

এক দিনের এই পতন ছিল প্রায় ১৩.২ শতাংশ। ১৯৮০ সালের মার্চ মাসে দাম আরও নেমে প্রতি আউন্সে প্রায় ৪৮১.৫০ ডলারে পৌঁছেছিল। অর্থাৎ, রেকর্ড উচ্চতা থেকে অল্প সময়ের মধ্যে সোনার বাজারে বড়সড় সংশোধন হয়েছিল।

এই ঘটনা প্রমাণ করে, দ্রুত দাম বাড়ার পর বাজারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের পরিবর্তন সোনার দামে তীব্র প্রভাব ফেলতে পারে।

২. ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩: আবারও বড় ধস

১৯৮৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সোনার বাজারে আরেকটি বড় পতন ঘটে। ঐতিহাসিক লন্ডন বাজারের তথ্য অনুযায়ী, সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪৬৪.৭৫ ডলার থেকে কমে ৪০৮.৫০ ডলারে নেমেছিল। এই হিসাবে পতনের পরিমাণ প্রায় ১২.১ শতাংশ।

বিভিন্ন বাজারভিত্তিক তথ্যসূত্রে পতনের শতাংশে কিছু পার্থক্য রয়েছে। তবে ঘটনাটি স্পষ্ট করে, সোনার দাম একবার বেড়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা এবং তীব্র স্বল্পমেয়াদি পতন দেখা দিতে পারে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য শিক্ষা হল, অতীতের দাম বা বাজারের জনপ্রিয়তা দেখে ভবিষ্যতের লাভ নিশ্চিত ধরে নেওয়া উচিত নয়।

৩. ১৩ অক্টোবর ২০০৮: আর্থিক সংকটের মধ্যেও সোনার পতন

২০০৮ সালের বিশ্ব আর্থিক সংকটের সময় সোনার চাহিদা ও দামেও উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা গিয়েছিল। ১৩ অক্টোবর সোনার দাম এক দিনে প্রায় ৭.৭ শতাংশ কমেছিল বলে ঐতিহাসিক দৈনিক মূল্যতথ্যে দেখা যায়।

এই ঘটনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আর্থিক সংকটের সময় সোনাকে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বাজারে নগদ অর্থের প্রয়োজন, বিনিয়োগকারীদের অবস্থান পরিবর্তন এবং বিভিন্ন সম্পদ বিক্রি করার প্রবণতা সোনার দামেও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

অর্থাৎ, সংকটের সময় সোনার দাম সব পরিস্থিতিতে বাড়বেই—এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই।

৪. ১৫ এপ্রিল ২০১৩: সোনার বাজারে ঐতিহাসিক বিক্রির চাপ

২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে সোনার বাজারে বড় ধরনের ধস নামে। ১৫ এপ্রিল সোনার দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে যায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই পতনকে ১৯৮৩ সালের পর অন্যতম বড় এক দিনের দরপতন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে প্রায় ১২ বছর ধরে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু ২০১৩ সালে বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ, বাজারের প্রত্যাশার পরিবর্তন এবং সোনার দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সংশয়ের কারণে পরিস্থিতি বদলে যায়।

এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কোনও সম্পদের দাম বাড়তে থাকলেও সেই প্রবণতা চিরস্থায়ী নয়। বাজারের মনোভাব বদলালে দাম দ্রুত নেমে যেতে পারে।

৫. ১১ আগস্ট ২০২০: রেকর্ড উচ্চতার পর সোনার দামে পতন

কোভিড-১৯ মহামারির সময় বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ায় সোনার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২০ সালের আগস্টে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই বাজারে সংশোধন শুরু হয়।

১১ আগস্ট ২০২০ সালে স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রায় ৫.৭ শতাংশ কমেছিল বলে বাজারের ঐতিহাসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। একই দিনে ফিউচার্স বাজারেও উল্লেখযোগ্য পতন দেখা যায়।

মার্কিন বন্ডের ইল্ড বৃদ্ধি এবং ডলারের গতিবিধি সোনার দামের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। সুদবিহীন সম্পদ হওয়ায় সোনার আকর্ষণ অনেক সময় সুদযুক্ত সম্পদের তুলনায় কমে যেতে পারে।

এই ঘটনা দেখায়, বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও সোনার দাম শুধুমাত্র সেই একটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে না।

৬. ২১ অক্টোবর ২০২৫: রেকর্ডের পর বড় সংশোধন

২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা যায়। বিভিন্ন বাজারের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনের পতনের পরিমাণ মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি এবং লেনদেনের সময় অনুযায়ী প্রায় ৫.৩ থেকে ৬.৩ শতাংশের মধ্যে ছিল।

এর আগে সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। রেকর্ডের পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়া এবং বাজারের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে তীব্র বিক্রির চাপ তৈরি হয়।

এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, কোনও সম্পদের দাম দ্রুত বাড়লে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অতিরিক্ত আশাবাদ তৈরি হতে পারে। কিন্তু উচ্চ মূল্য থেকে সংশোধন শুরু হলে নতুন বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

৭. ৩০ জানুয়ারি ২০২৬: রেকর্ডের পর ফের তীব্র পতন

২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক সোনার বাজারে বড়সড় পতন ঘটে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্পট সোনার দাম প্রায় ৯.৫ থেকে ৯.৮ শতাংশ কমার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু ঐতিহাসিক মূল্যতথ্যে পতনের হিসাব আরও বেশি দেখা যায়, কারণ বাজার ও মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতিতে পার্থক্য রয়েছে।

এই পতনের ঠিক আগের দিন, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, একটি ঐতিহাসিক উচ্চতা নথিভুক্ত হয়েছিল বলে প্রকাশিত বাজারতথ্যে দেখা যায়। পরদিনের তীব্র দরপতন দেখায়, রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছনোর পরও সোনার বাজারে বড় ধরনের সংশোধন হতে পারে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। দাম ক্রমাগত বাড়ছে বলে আরও বাড়বে ধরে নিয়ে একসঙ্গে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সোনার দাম কেন হঠাৎ কমে যায়?

সোনার দামের ওঠানামার পিছনে একাধিক কারণ কাজ করে। তার মধ্যে প্রধান কয়েকটি হল:

১. মার্কিন ডলারের শক্তিশালী হওয়া: আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম সাধারণত ডলারে নির্ধারিত হয়। ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।

২. সুদের হার ও বন্ডের ইল্ড বৃদ্ধি: সোনা সুদ দেয় না। ফলে সুদযুক্ত বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়লে সোনার চাহিদায় চাপ পড়তে পারে।

৩. মুনাফা তুলে নেওয়া: দাম দ্রুত বেড়ে গেলে অনেক বিনিয়োগকারী লাভ নিশ্চিত করতে সোনা বিক্রি করেন। একসঙ্গে বিক্রি বাড়লে দাম দ্রুত কমতে পারে।

৪. ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন: যুদ্ধ বা আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়লে সোনার চাহিদা বাড়তে পারে। পরিস্থিতি শান্ত হলে সেই চাহিদা কমেও যেতে পারে।

৫. বিনিয়োগকারীদের মনোভাব: বাজারের প্রত্যাশা, ফান্ডের লেনদেন, ফিউচার্স বাজারের অবস্থান এবং আর্থিক পরিস্থিতির পরিবর্তন সোনার দামে দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে।

সোনায় বিনিয়োগ করার আগে কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন?

সোনার ঐতিহাসিক পতন থেকে বিনিয়োগকারীদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায়।

প্রথমত, শুধুমাত্র দাম বাড়ছে দেখে সোনা কেনা উচিত নয়। বিনিয়োগের আগে নিজের আর্থিক লক্ষ্য, কত দিন অর্থ বিনিয়োগ করে রাখা সম্ভব এবং কতটা ক্ষতি সহ্য করার ক্ষমতা রয়েছে, তা বিবেচনা করা জরুরি।

দ্বিতীয়ত, সমস্ত সঞ্চয় এক ধরনের সম্পদে বিনিয়োগ করা ঝুঁকিপূর্ণ। নিজের আর্থিক পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন সম্পদের মধ্যে বিনিয়োগ ভাগ করে রাখার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত, সোনার গয়না, ফিজিক্যাল গোল্ড, গোল্ড ETF এবং অন্যান্য সোনাভিত্তিক বিনিয়োগের খরচ, কর, তারল্য এবং ঝুঁকি এক নয়। বিনিয়োগের মাধ্যম বেছে নেওয়ার আগে সেগুলি ভালোভাবে বুঝে নেওয়া দরকার।

চতুর্থত, অল্প সময়ের মধ্যে নিশ্চিত লাভের আশায় ধার করে বা অতিরিক্ত ঋণ নিয়ে সোনায় বিনিয়োগ করা বিপজ্জনক হতে পারে।

পঞ্চমত, বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শুধুমাত্র অতীতের দাম নয়, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং নিজের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

উপসংহার

সোনাকে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এর দাম কখনও একমুখী পথে চলে না। ১৯৮০, ১৯৮৩, ২০০৮, ২০১৩, ২০২০, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের বিভিন্ন পতনের ঘটনা দেখায়, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামেও বড় অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

তাই সোনায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আবেগের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত, ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে, অতীতের বাজারের ওঠানামা ভবিষ্যতের দাম নিশ্চিত করে না এবং কোনও বিনিয়োগেই লাভের নিশ্চয়তা নেই।

বিনিয়োগ সংক্রান্ত সতর্কতা: এই প্রতিবেদনটি তথ্য ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি কোনও ব্যক্তিগত বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। বিনিয়োগের আগে প্রয়োজনে যোগ্য আর্থিক পরামর্শদাতার সঙ্গে আলোচনা করুন।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব গোল্ড কাউন্সিলের সোনার দামের ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ, রয়টার্সের ২০১৩ সালের সোনার বাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং আন্তর্জাতিক সোনার দৈনিক মূল্যতথ্য।

Enjoyed this story? Share it.

Share

Keep reading

More in ব্যবসা-বাণিজ্যের

সব দেখুন
পিএম কিষান যোজনার ২৪তম কিস্তি কবে? কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ২,০০০ টাকা পাঠানোর সম্ভাব্য তারিখ
Breaking

ব্যবসা-বাণিজ্যের

পিএম কিষান যোজনার ২৪তম কিস্তি কবে? কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ২,০০০ টাকা পাঠানোর সম্ভাব্য তারিখ

প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনার ২৪তম কিস্তি নিয়ে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে ৩০ অক্টোবর ২০২৬-এ কিস্তি দেওয়…

2 min read
সবুজ বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়তেই চাপে উত্তর ভারতের পাওয়ার গ্রিড, নিরাপদ সীমা ছাড়াচ্ছে ট্রান্সফরমারের লোড
Breaking

ব্যবসা-বাণিজ্যের

সবুজ বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়তেই চাপে উত্তর ভারতের পাওয়ার গ্রিড, নিরাপদ সীমা ছাড়াচ্ছে ট্রান্সফরমারের লোড

রাজস্থানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত বাড়ায় উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের চাপ বেড়েছে। একই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যু…

2 min read
উৎপাদন খরচের চাপে ফের দাম বাড়াবে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, জানালেন সিইও প্রিয়া নায়ার
Breaking

ব্যবসা-বাণিজ্যের

উৎপাদন খরচের চাপে ফের দাম বাড়াবে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, জানালেন সিইও প্রিয়া নায়ার

কাঁচামাল ও অন্যান্য উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দাম ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা চালিয়ে যাবে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার লিমিটেড (HUL)। সংস্…

2 min read
৫০ বছরের অভিজ্ঞ কর্মী থেকে ২৩ বছরের ইঞ্জিনিয়ার—মাইক্রোসফটের স্বেচ্ছাবসর প্রস্তাবে দ্বিধায় কর্মীরা
Breaking

ব্যবসা-বাণিজ্যের

৫০ বছরের অভিজ্ঞ কর্মী থেকে ২৩ বছরের ইঞ্জিনিয়ার—মাইক্রোসফটের স্বেচ্ছাবসর প্রস্তাবে দ্বিধায় কর্মীরা

মাইক্রোসফট বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬০,০০০ কর্মীকে আর্থিক সহায়তাসহ স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব বিবেচনা করার সুযোগ দিয়েছে। ভারতে সংস্থাটির কর…

2 min read
টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদ নিয়ে নোয়েল টাটার আপত্তি, চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক

ব্যবসা-বাণিজ্যের

টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদ নিয়ে নোয়েল টাটার আপত্তি, চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক

টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের আরও পাঁচ বছরের মেয়াদে পুনর্নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। টাটা ট্রাস্টসের চেয়ারম্যান নোয়েল ট…

2 min read
রিলায়েন্স জিওর IPO ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ, কী সম্ভাবনা টেলিকম ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে?

ব্যবসা-বাণিজ্যের

রিলায়েন্স জিওর IPO ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ, কী সম্ভাবনা টেলিকম ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে?

রিলায়েন্স জিওর সম্ভাব্য IPO ঘিরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ভারতের টেলিকম ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ক্ষেত্রে জিওর বিস্তার, গ্রাহকভি…

2 min read