নিউজ

শ্রীযোগেন চৌধুরী (১৯৩৯–২০২৬): অসুস্থতার আড়ালেও সৃষ্টির সাধনা

প্রয়াত বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর জীবন ও শিল্প যেন সৃষ্টির প্রতি অবিচল নিষ্ঠার এক অনন্য উদাহরণ। জীবনের শেষ পর্বে গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করেও তিনি সৌন্দর্য ও শিল্পচর্চা থেকে সরে যাননি। তাঁর শেষ একক প্রদর্শনী ‘সুন্দরী’-র ছবিগুলি সেই সৃষ্টিশীলতারই সাক্ষ্য বহন করে। স্বতন্ত্র রেখার ব্যবহার, মানবদেহের ভঙ্গি ও মনস্তাত্ত্বিক অনুভূতির প্রকাশ এবং ভারতীয় শিল্পের বহুমাত্রিক ঐতিহ্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি আধুনিক ভারতীয় চিত্রকলায় নিজের স্থায়ী স্থান তৈরি করেছিলেন।

Share
শ্রীযোগেন চৌধুরী (১৯৩৯–২০২৬): অসুস্থতার আড়ালেও সৃষ্টির সাধনা

অসুস্থতার আড়ালেও শিল্পের সাধনা

কিছু মানুষ তাঁদের ব্যক্তিগত যন্ত্রণাকে প্রকাশ্যে না এনে সৃষ্টির মধ্য দিয়েই জীবনের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যান। বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর জীবন ও শিল্পদর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এই নীরবতা। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা এবং চিকিৎসার কঠিন সময়েও তিনি নিজের যন্ত্রণাকে শিল্পের কেন্দ্রে বসাননি। বরং সৃষ্টির মধ্য দিয়ে সৌন্দর্যকে আবিষ্কার করার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন।

২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর কলকাতায় প্রয়াত হন যোগেন চৌধুরী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিরল ধরনের রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তাঁর শিল্পীসত্তা যে সক্রিয় ছিল, তার প্রমাণ মেলে জীবনের শেষ পর্যায়ের কাজগুলিতে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কলকাতার দেবভাষা বই ও শিল্পের আবাসে তাঁর শেষ একক চিত্রপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনীর নাম ছিল ‘সুন্দরী’। তার জন্য আঁকা ছবিগুলির অনেকগুলিই তৈরি হয়েছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে, যে সময় থেকে তাঁর হাসপাতালে যাতায়াতও বাড়তে শুরু করে। ব্যক্তিগত অসুস্থতার কথা খুব বেশি প্রকাশ না করেও তিনি যে সৃষ্টির কাজ চালিয়ে গিয়েছিলেন, এই প্রদর্শনী তার এক উল্লেখযোগ্য সাক্ষ্য।

ফরিদপুর থেকে আধুনিক ভারতীয় শিল্পের জগতে

১৯৩৯ সালে অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরে জন্ম যোগেন চৌধুরীর। দেশভাগের পর তাঁর পরিবার কলকাতায় চলে আসে। এই শহরেই শুরু হয় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষা। সরকারি আর্ট কলেজে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি জলরং ও তেলরঙে কাজ করে শিল্পজগতে নিজের পরিচিতি তৈরি করতে থাকেন।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি ফরাসি সরকারের বৃত্তি নিয়ে তিনি প্যারিসে শিল্পশিক্ষার সুযোগ পান। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শিল্পকলার সঙ্গে পরিচয় তাঁর চিন্তাভাবনাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তবে বিদেশের শিল্পরীতিকে অনুকরণ করেই আধুনিক ভারতীয় শিল্পের নিজস্ব ভাষা তৈরি করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন তাঁকে ভাবিয়েছিল।

এই অনুসন্ধান থেকেই ক্রমে গড়ে ওঠে তাঁর স্বতন্ত্র শিল্পভাষা। ভারতীয় শিল্পকে কোনও একটি নির্দিষ্ট ঐতিহ্য বা শৈলীর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখার বিরোধী ছিলেন তিনি। তাঁর দৃষ্টিতে অজন্তা-ইলোরার চিত্রকলা, মুঘল ক্ষুদ্রচিত্র এবং বাংলার কালীঘাটের পট—সবই ভারতীয় শিল্পঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বহুত্বের স্বীকৃতি তাঁর শিল্পভাবনার অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে।

রেখার টানে মানুষের অন্তর্জগৎ

যোগেন চৌধুরীর ছবির অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল তাঁর স্বতন্ত্র রেখা। মানুষের শরীর, মুখের অভিব্যক্তি এবং অঙ্গভঙ্গিকে তিনি এমনভাবে ফুটিয়ে তুলতেন, যাতে দৃশ্যমান অবয়বের পাশাপাশি প্রকাশ পেত মানুষের অন্তর্গত অস্বস্তি, দুর্বলতা, নিঃসঙ্গতা ও মানসিক টানাপড়েন।

তাঁর ছবিতে মানবদেহ সব সময় নিখুঁত অনুপাতের অনুকরণে তৈরি হয়নি। বরং শরীরের বাঁক, রেখার ঘনত্ব এবং অবয়বের বিকৃতির মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের মনস্তত্ত্বকে ধরতে চেয়েছেন। এই শৈলী তাঁর ছবিকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে এবং আধুনিক ভারতীয় চিত্রকলায় তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।

তাঁর শিল্পে সৌন্দর্য কেবল বাহ্যিক আকর্ষণের বিষয় ছিল না। জীবনের জটিলতা, মানুষের অসহায়তা এবং সম্পর্কের অন্তর্নিহিত দ্বন্দ্বও সেই সৌন্দর্যবোধের অংশ হয়ে উঠেছে। ফলে তাঁর ছবি দর্শককে শুধু দৃশ্য উপভোগ করতে বলে না, ছবির ভেতরের মানুষটিকে বুঝতে ও অনুভব করতেও আহ্বান জানায়।

শিল্পীর পরিচয় ক্যানভাসের বাইরেও

যোগেন চৌধুরীর জীবন শুধু ছবি আঁকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি শিক্ষকতা করেছেন, শিল্প-নকশার কাজ করেছেন এবং দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনের সংগ্রহশালায় শিল্পকর্ম সংরক্ষণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে শান্তিনিকেতনের কলাভবনে অধ্যাপনা করেন। তাঁর কর্মজীবনের এই বিভিন্ন অধ্যায় শিল্পের প্রতি তাঁর বহুমুখী আগ্রহের পরিচয় দেয়।

শিল্পচর্চার পাশাপাশি শিল্পীদের কাজ নিয়ে লেখালিখিও করেছেন তিনি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে বাংলার বহু গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী ও লেখকের কাজ নিয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল। শিল্পের মূল্যায়নের পাশাপাশি শিল্প-ইতিহাসের নথি সংরক্ষণের উপরও তিনি গুরুত্ব দিতেন। তাঁর মতে, সমসাময়িক শিল্পীরা কীভাবে কাজ করছেন এবং তাঁদের সৃষ্টির তাৎপর্য কোথায়, সেই তথ্য সংরক্ষণ ভবিষ্যতের শিল্প-ইতিহাস নির্মাণে সাহায্য করে।

শিল্পের প্রতি এই দায়বদ্ধতা তাঁকে ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিসরের সঙ্গে যুক্ত করেছিল। নতুন শিল্পীদের উৎসাহ দেওয়া, প্রদর্শনীর উদ্যোগে সহায়তা করা এবং শিল্পীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ছিলেন।

‘চারুবাসনা’: শিল্পকে মানুষের আরও কাছে আনার চেষ্টা

যোগেন চৌধুরীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল কলকাতায় ‘চারুবাসনা, যোগেন চৌধুরী সেন্টার ফর আর্টস’ প্রতিষ্ঠা। দৃশ্যশিল্পের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় ও বোঝাপড়া বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই উদ্যোগের জন্ম।

সাহিত্য, সংগীত, নাটক কিংবা সিনেমার মতো দৃশ্যশিল্পও মানুষের দৈনন্দিন সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে উঠুক—এমনটাই চেয়েছিলেন তিনি। শিল্পকর্ম প্রদর্শন, আলোচনা এবং মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে শিল্পী ও দর্শকের মধ্যে দূরত্ব কমানো ছিল এই কেন্দ্রের অন্যতম লক্ষ্য।

এই উদ্যোগ তাঁর ব্যক্তিগত শিল্পসাধনার বাইরে একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেয়। তিনি শুধু নিজের কাজের স্বীকৃতি চাননি; চেয়েছিলেন শিল্পচর্চার জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে, যেখানে প্রবীণ ও নবীন শিল্পীরা নিজেদের কাজ উপস্থাপন করতে পারবেন এবং দর্শকেরা শিল্পকে আরও গভীরভাবে বুঝতে পারবেন।

কবিতার মধ্যেও এক শিল্পীর নিভৃত মন

চিত্রকলার পাশাপাশি কবিতার প্রতিও তাঁর আগ্রহ ছিল। তাঁর কবিতার বই ‘হৃদয় ট্রেন বেজে ওঠে’ এবং পরবর্তী কাব্যগ্রন্থ ‘মায়াবৃত্ত’ তাঁর সৃষ্টিশীলতার অন্য একটি দিক তুলে ধরে। ছবি ও কবিতা—দুই মাধ্যমেই তিনি মানুষের অনুভূতি, সৌন্দর্য এবং জীবনের মলিনতার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেছেন।

তাঁর কাছে শিল্প কোনও বিচ্ছিন্ন নান্দনিক অনুশীলন ছিল না। জীবনকে দেখা, বোঝা এবং তার জটিলতার সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নির্ধারণ করারও একটি উপায় ছিল শিল্প। সেই কারণেই তাঁর সৃষ্টিতে সৌন্দর্যের সঙ্গে মিশে থাকে বাস্তবতার কঠিন অভিজ্ঞতা।

অসুস্থতার মধ্যেও যে দর্শন অটুট ছিল

যোগেন চৌধুরীর জীবনের শেষ অধ্যায় আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিল্পীর সৃষ্টিশীলতা কেবল তাঁর শারীরিক সক্ষমতার উপর নির্ভর করে না। ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময় এলেও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং সৌন্দর্যের অনুসন্ধান তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

তাঁর শেষ দিকের ছবিগুলিকে তাই শুধু একজন অসুস্থ শিল্পীর কাজ হিসেবে দেখলে তার তাৎপর্য সম্পূর্ণ ধরা পড়বে না। এগুলি এমন এক শিল্পীসত্তার পরিচয় বহন করে, যে নিজের ব্যক্তিগত যন্ত্রণাকে সৃষ্টির একমাত্র বিষয় করে তুলতে চায়নি। বরং জীবনের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিল্পের নিজস্ব জগৎকে অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টা করেছে।

উপসংহার

যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণে আধুনিক ভারতীয় শিল্পজগৎ হারাল এক স্বতন্ত্র শিল্পীকে, যিনি রেখার ভাষায় মানুষের অন্তর্জগৎকে প্রকাশ করার নিজস্ব পথ তৈরি করেছিলেন। তাঁর অবদান কেবল ছবির বিষয়বস্তু বা শৈলীতে সীমাবদ্ধ নয়; শিল্প নিয়ে চিন্তা, লেখালিখি, শিক্ষকতা এবং নতুন শিল্পীদের জন্য পরিসর তৈরির মধ্য দিয়েও তিনি নিজের উত্তরাধিকার রেখে গিয়েছেন।

ব্যক্তিগত অসুস্থতার সময়েও সৃষ্টির প্রতি তাঁর নিষ্ঠা তাঁর জীবনদর্শনের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক। তাঁর কাজ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিল্পের সাধনা কখনও কেবল সাফল্য বা স্বীকৃতির জন্য নয়; তা মানুষের অনুভূতি, সৌন্দর্যবোধ এবং জীবনের গভীরতাকে উপলব্ধি করার এক নিরন্তর প্রচেষ্টা।

Enjoyed this story? Share it.

Share

Keep reading

More in নিউজ

সব দেখুন
কালীপুজোর আগে সবুজ বাজির পরীক্ষা ৩০ অক্টোবর, নিরাপত্তায় জোর
New

নিউজ

কালীপুজোর আগে সবুজ বাজির পরীক্ষা ৩০ অক্টোবর, নিরাপত্তায় জোর

কালীপুজোর আগে সবুজ বাজির গুণমান যাচাই এবং বাজির বাজারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৩০ অক্টোবর সবুজ বাজির নমুনা পরীক্ষা…

2 min read
সীমান্ত উদ্বেগ: চিনের সঙ্গে সংঘাতের ইতিহাস, আশ্বাসেই কি কাটবে আশঙ্কা?
Breaking

নিউজ

সীমান্ত উদ্বেগ: চিনের সঙ্গে সংঘাতের ইতিহাস, আশ্বাসেই কি কাটবে আশঙ্কা?

ভারত ও চিনের সীমান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি-র অবস্থান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য, টহলদারি নিয়ে সংঘাত এবং সা…

3 min read
শত্রুরূপে চিহ্নিত বই: রাজনৈতিক সংঘাতের নিশানায় সংস্কৃতি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
Breaking

নিউজ

শত্রুরূপে চিহ্নিত বই: রাজনৈতিক সংঘাতের নিশানায় সংস্কৃতি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ক্লাব, পুজো কমিটি ও পার্টি অফিসের দখল নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তবে এ বার দুর্গাপুজোর সময় বিরোধী মতাদর্শের ব…

3 min read
সাফল্যের আড়ালে: ভারতের জঙ্গলে চিতাদের দীর্ঘমেয়াদি বাসস্থান কি সত্যিই প্রস্তুত?
Breaking

নিউজ

সাফল্যের আড়ালে: ভারতের জঙ্গলে চিতাদের দীর্ঘমেয়াদি বাসস্থান কি সত্যিই প্রস্তুত?

আফ্রিকা থেকে চিতা এনে ভারতের জঙ্গলে পুনর্বাসনের উদ্যোগ ‘প্রজেক্ট চিতা’ জন্ম দিয়েছে নতুন আশার। চিতাদের বংশবৃদ্ধি এবং ভারতীয় পরিবেশে মানিয়ে…

3 min read
বর্ধমান মেডিক্যালের ফেস্টে ৫৫০০ টাকা চাঁদা দাবি! চিকিৎসক সংগঠনের নাম করে চাপ দেওয়ার অভিযোগে বিতর্ক
Breaking

নিউজ

বর্ধমান মেডিক্যালের ফেস্টে ৫৫০০ টাকা চাঁদা দাবি! চিকিৎসক সংগঠনের নাম করে চাপ দেওয়ার অভিযোগে বিতর্ক

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের ফেস্টকে কেন্দ্র করে ৫৫০০ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি চিকিৎসক সংগঠনের নাম করে চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযো…

2 min read
অন্য রোগীরাও কর্পোরেট হাসপাতালে যেতে চাইলে ‘প্রোটোকল’ কী হবে? চোরবাগান প্রসঙ্গে প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠনের
Breaking

নিউজ

অন্য রোগীরাও কর্পোরেট হাসপাতালে যেতে চাইলে ‘প্রোটোকল’ কী হবে? চোরবাগান প্রসঙ্গে প্রশ্ন জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠনের

চোরবাগান সংক্রান্ত ঘটনায় কর্পোরেট হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি ঘিরে প্রশ্ন তুলেছে জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন। অন্য রোগীরাও যদি একই ভাবে কর্প…

2 min read